Participatory Epidemiology

During this corona-virus 😷 pandemic if you think isolation from the rest of the world is a solution, then probably you are thinking of going back to the Stone Age.

Do you think it’s a good idea? 🤔
Well, possibly.

However, evidence says – in the time of Middle Ages when there were no airplanes or trains, Black Death epidemics spread over the continents.

Considering this, I think it is a high time to think about the Participatory Epidemiology.

Participatory Epidemiology involves a disease surveillance system that collects data for public health action by directly involving the population at risk in submitting relevant data through a variety of survey tools. This can happen in many forms, from sophisticated mobile phone apps to simple hotlines.

To make it happen we need to have closer global and local cooperation so countries can share information more efficiently.

This is how it becomes everyone’s job. If everyone collaborates then we will be able to detect a health issue and take initiatives long before it goes beyond our control.

Reference:
Smolinski, M. S., Crawley, A. W., Olsen, J. M., Jayaraman, T., & Libel, M. (2017). Participatory Disease Surveillance: Engaging Communities Directly in Reporting, Monitoring, and Responding to Health Threats. JMIR public health and surveillance, 3(4), e62. https://doi.org/10.2196/publichealth.7540

Harari, Yuval N., (2020, March 5). Coronavirus: Countries need to ‘help each other’ as deaths increase – BBC Newsnight [Video]. YouTube. https://www.youtube.com/watch?v=yNxAmRAYagQ

Fear

“𝐖𝐞 𝐚𝐫𝐞 𝐚𝐥𝐥 𝐚𝐟𝐫𝐚𝐢𝐝 𝐨𝐟 𝐝𝐞𝐚𝐭𝐡.
𝐖𝐞 𝐫𝐞𝐬𝐩𝐨𝐧𝐝 𝐭𝐨 𝐭𝐡𝐞 𝐟𝐞𝐚𝐫 𝐨𝐟 𝐞𝐩𝐢𝐝𝐞𝐦𝐢𝐜 𝐝𝐢𝐬𝐞𝐚𝐬𝐞 𝐛𝐲 𝐰𝐚𝐧𝐭𝐢𝐧𝐠 𝐭𝐨 𝐛𝐥𝐚𝐦𝐞 𝐬𝐨𝐦𝐞𝐨𝐧𝐞 𝐞𝐥𝐬𝐞.”

At the media briefing on COVID-19 (Coronavirus) on 28 February 2020, the Director-General of the World Health Organization (WHO) discussed the current situation of the coronavirus outbreak. He said –

“Our greatest enemy right now is not the virus itself.
It’s fear, rumours and stigma.”

The chair of the Global Health Council, Dr. Jonathan D. Quick, also agrees – fear is one of the major hindrances towards the management of any global pandemic.

In the book titled ‘The End of Epidemics” he wrote, small infectious-disease outbreaks explode into global pandemics through human action or inaction. We human beings are too often victims of our own psychological, political, and sociological failures.

Since the earliest times, fear is one of the human failings that have stopped or delayed effective prevention and response.

We are all afraid of death. We respond to the fear of epidemic disease by wanting to blame someone else. Anytime a threat arises, we want to blame the “other,” those not like “us.” At the outbreak of the 1918 Spanish flu, Americans blamed “the Hun.” AIDS was blamed on gay men. We want to punish those with the disease, pretending that whatever makes them other has cursed them. The most contagious behavioural reaction that affects political leaders, businesspeople, and the public is panic that disproportionately exceeds the actual event. Scared people over personalize the news, and their worries increase. Fear is a warning system intended to alert us to impending danger, just as it is in animals. When we let it override our rationality, we make things much worse.

Reference:

Quick, J.D. and Fryer, B., 2018. The end of epidemics: The looming threat to humanity and how to stop it. St. Martin’s Press.

WHO, 2020. “WHO Director-General’s opening remarks at the media briefing on COVID-19 – 28 February 2020.” Accessed March 01, 2020. https://www.who.int/dg/speeches/detail/who-director-general-s-opening-remarks-at-the-media-briefing-on-covid-19—28-february-2020

Did you know?

গত দুই মাস ধরে সারা বিশ্ব সহ বাংলাদেশের জনগণের মধ্যেও নোভেল করোনা ভাইরাস সম্পর্কে একপ্রকার আতঙ্ক বিরাজ করছে।ভাইরাসটি সম্পর্কে জনমনে আগ্রহ, তথ্য এবং সম্ম্ভাব্য বিভ্রান্তিরও কমতি নেই। ভাইরসাটির উৎপত্তি মূলত চীন দেশে হলেও, বিশ্বেরঅনেক দেশেই তা ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এর ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী চীন সহ সারা বিশ্বের মোট ২৬ টি দেশে এই ভাইরাসটি ছড়িয়েপড়েছে। বিশ্বব্যাপী এই পর্যন্ত ৭১,৪২৯ জন করোনাভাইরাস এ আক্রান্ত রোগী সনাক্ত করা হয়েছে। চীন সহ অন্যান্য দেশের সাথেবাংলাদেশের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ আছে বলে ভাইরাসটি আমাদের দেশেও ছড়াতে পারে বলে প্রবল আশংকা রয়েছে। এ ছাড়াও হাঁচি-কাশি সহ বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে বলে আশংকাটি আর তীব্র হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক বৈজ্ঞানিক সাময়িকী ‘দি ল্যানসেট’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ইনফেকশাস ডিজিস’ এপ্রকাশিত বেশ কিছু গবেষণাপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, করোনাভাইরাস এর রিপ্রোডাকশন নাম্বার প্রায় ২.২৪ থেকে ৩.৫৮। এর অর্থ – প্রতি একজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগী নতুন করে প্রায় ২ থেকে ৪ জন সুস্থ্য মানুষকে আক্রান্ত (সংক্রমণ) করতে পারে।

সংক্রমণ এর এই উচ্চ হার এবং বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনবসতির কারনে, ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা রীতিমতজনমনে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। এই আতঙ্কটা অনেকটা এমন,  মনে হয় যেন – আজরাইল আপনার এলাকায় এসে চা খাচ্ছে । চাখাওয়া শেষেই সে আপনার সাথে আসবে দেখা করতে।

কী ভয়ংকর একটা অবস্থা। হলিউডের সিনেমার মত সবার মনে  একটাই ভয় – কখন জানি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পুরো এলাকা গোরস্তান হয়ে যায়।

কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে – এতসব দুঃসংবাদের মাঝেও একটা সুংবাদ আছে। আর সেটা হলো – করোনাভাইরাস মোটেই এতটাপ্রাণঘাতী নয়, যতটা আমরা ভাবছি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সর্বশেষ তথ্য, হিসাব ও বিশ্লেষণ অনুযায়ী, করোনা ভাইরাস এর কেইসফ্যাটালিটি রেইট প্রায় ২%। অর্থাৎ – সম্প্রতি করোনাভাইরাসে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্য থেকে কেবল মাত্র ২% মারাগিয়েছেন। বাদ-বাকী ৯৮% রোগী সুস্থ্য হয়ে ঘরে ফিরে গিয়েছেন অথবা চিকিৎসাধীন আছেন। আরো মজার বিষয় হচ্ছে – মৃত এই ২% এর মধ্যে অধিকংশ রোগীইছিলেন বৃদ্ধ, এবং ইতোমধ্যেই আরো অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত।

নিঃসন্দেহে এটা একটা ভালো খবর।

তাই, একজন তরুণ জনস্বাস্থ্যবিদ হিসেবে আমার পরামর্শ হলো – করোনাভাইরাস নিয়ে অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তা বাদ দিন।

আক্রান্ত হলে অবশ্যই ডাক্তারি পরামর্শ নিন, এবং পরামর্শ মেনে চলুন।

পরিশেষে করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ অনুসরণ করুন।

—–

লেখক পরিচতিঃ

সজল কান্তি ঘোষ

জনস্বাস্থ্যবিদ

মাষ্টার অফ পাবলিক হেলথ

কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটি অফ টেকনোলজি, অস্ট্রেলিয়া

www.sajal-ghosh.com

sg.mkt.jnu@gmail.com

Reference: 

Deutsche Welle. 2020. “Why coronavirus fears are disproportionate compared with other health risks”. Accessed February 20, 2020. https://www.dw.com/en/why-coronavirus-fears-are-disproportionate-compared-with-other-health-risks/a-52281566

Zhao, S., Lin, Q., Ran, J., Musa, S.S., Yang, G., Wang, W., Lou, Y., Gao, D., Yang, L., He, D. and Wang, M.H., 2020. Preliminary estimation of the basic reproduction number of novel coronavirus (2019-nCoV) in China, from 2019 to 2020: A data-driven analysis in the early phase of the outbreak. International Journal of Infectious Diseases.

Relax

Don’t panic, RELAX

-: আতংকিত নয় বরং আয়েশ করুন :-

করোনা ভাইরাস নিয়ে আতংকিত হবেন না। ভেবে বসবেন না যে – আজরাইল 👻আপনার এলাকায় এসে চা খাচ্ছে ☕️। চা খাওয়া শেষেই আপনার পালা 😳

আপনি বরং, আয়েশ করুন 🤣

বিষয়টা তবে একটু ব্যাখ্যা করি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য এবং অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের সর্বশেষ [1, 2] তথ্য ও হিসাব অনুযায়ী, করোনা ভাইরাস এর কেইস ফ্যাটালিটি রেইট প্রায় ২%। রিপোর্ট এর বক্তব্য অনুযায়ী –

“It is estimated that about 2% of people who have caught the coronavirus have died from it, and that they generally come from already-vulnerable groups such as older people or people with other severe illnesses” [2]।

সোজা বাংলায় যার মর্ম দাঁড়ায় – সম্প্রতি করোনাভাইরাসে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের মধ্য থেকে কেবল মাত্র ২% মারা গিয়েছেন। অর্থাৎ – বাদ-বাকী ৯৮% রোগী সুস্থ্য হয়ে ঘরে ফিরে আয়েশ করছেন 🤣

আরো মজার বিষয় হচ্ছে – মৃত এই ২% এর মধ্যে অধিকংশ রোগীই ছিলেন বৃদ্ধ, এবং ইতোমধ্যেই আরো অনেক জটিল রোগে আক্রান্ত।

সুতরাং, দুঃশ্চিন্তা না করে আয়েশ করুন।

অবশ্যই ডাক্তারি পরামর্শ নিন, এবং পরামর্শ মেনে চলুন। করোনাভাইরাস থেকে সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ অনুসরণ করুন।

Reference:

[1] Schacht, Kira. 2020. “Why coronavirus fears are disproportionate compared with other health risks”. Accessed February 18, 2020. https://www.dw.com/…/why-coronavirus-fears-are-…/a-52281566/
[2] Data until February 14, 2020

Archives