জীবন এবং গণিতের দর্শন

[১: একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ]

একবার ‘হিসাব রক্ষক’ পদে একটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। অনেক ঝাড়াই-বাছাই শেষে তিনজন আবেদনকারীকে ভাইভা বোর্ডে আমন্ত্রন জানানো হয়। যাদের মধ্যে ছিলেন একজন গণিতবিদ, একজন হিসাব রক্ষক এবং একজন অর্থনীতিবিদ। প্রথমে গণিতবিদের পালা। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো –

১+১ = কত?

এ আবার কেমন প্রশ্ন – জিজ্ঞাসা করলেন গণিতবিদ। এ তো সহজ – ১ + ১ এ ২ হবে।

এর পর হিসাব রক্ষকের পালা। তাকেও জিজ্ঞাসা করা হলো –

১+১ = কত?

হিসাব রক্ষক জবাব দিলো – ১+১ = ২ । তবে আপনি চাইলে ১০ থেকে ১৫% এদিক-ওদিক করে দিতে পারব।

সব শেষে এলেন অর্থনীতিবিদ। তাকেও একই প্রশ্ন –

১+১ = কত?

প্রশ্নের উত্তর দেয়ার আগে অর্থনীতিবিদ চেয়ার ছেড়ে উঠে প্রশ্নকর্তার কানের কাছে গিয়ে ফিস-ফিস করে জিজ্ঞসা করলেন

– স্যার, আপনি কত চান?

[২: ব্যর্থ ভালবাসার গল্প]

ছাত্র জীবনে পড়া অবস্থায় অর্থিনীতি সাবজেক্ট এর প্রেমে পড়েগিয়েছিলাম। অর্থিনীতি আমার কাছে শুধু কিছু রস-কষ হীন গ্রাফ আঁকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। কোন না কোন ভাবে এই নিরস গ্রাফগুলোর মাঝে আমি অদ্ভূত সুন্দর দর্শন খুঁজে পেয়েছিলাম। এই খুঁজে পাওয়ার পেছনে অন্তত পাঁচ জন মানুষের অবদান আছে। ওনারা হলেন – ক্যাম্পবেল আর. ম্যাকননেল, স্ট্যানলি এল. ব্রু, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকগণ – মনতোষ চক্রবর্তী, ইমরানুল হক , এবং মাহমুদুল হাসান ফৌজি।

‘একজন মানুষ সুযোগ থাকা সত্বেও কখন চুরি করবে আর কখন করবে না’ – এমন অদ্ভুতুড়ে প্রশ্নেরও যুতসই ব্যখ্যা আছে অর্থনীতিতে। যবে থেকে এই সৌন্দর্য উন্মোচন করতে পেরেছি, আমি শুধু খুঁজে বেড়িয়েছি নীরস গ্রাফের আড়ালে লুকিয়ে থাকা দর্শনের গল্প।

ফলশ্রুতিতে ৪/৫ টা অর্থনীতি কোর্সের মধ্যে থেকে একটা কোর্সের A+ মিস হয়ে যায়। কারন, পরীক্ষার খাতায় শুধু দর্শনের গল্প লিখলেই A+ পাওয়া যায় না। সবগুলো গ্রাফের অঙ্কও সমাধান করে আসতে হয়।

পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে যেদিন জানতে পারলাম – প্রিয় অর্থনীতিতে আমি A+ পাইনি সেদিন খুব ক্ষোভ হয়েছিল। চারপাশে আমি অন্ধকার দেখছিলাম।

একই অভিজ্ঞতা হয়েছিলো ‘মার্কেটিং রিসার্স’ কোর্সে। বন্ধুদের মধ্যে আমিই প্রথম মার্কেটিং এ গবেষণাপত্র প্রকাশ করি। কিন্তু আক্ষেপের বিষয় কি জানেন? ‘মার্কেটিং রিসার্স’ কোর্সেও আমার A+ মিস হয়েছিলো।

আমি পাগলের মত ভালবাসতে জানি। কিন্তু প্রায়ই নিয়তি আমাকে একটা খুঁত ধরে হারিয়ে দেয়। এটা প্রায়ই হয়।

Moral of the story:
ভালবাসারা (হয়ত) নিখুঁত হয় না।
(হয়ত) ভালবাসলেই মন পাওয়া যায় না।

[৩: জর্জ বুলের বিয়ে]

যাই হোক, আড়ালে লুকিয়ে থাকা দর্শনের গল্প খোঁজার প্রয়াসটা শুরু হয়েছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার অনেক আগেই। একাদশ শ্রেণীতে প্রথম যখন জর্জ বুল এর বুলিয়ান এলজেব্রা পড়তে শুরু করি তখন অবধারিত ভাবে সবার মতই আমারও খটকা লাগে ১+১ এ কেমন করে ২ না হয়ে এক হয়। শিক্ষক তখন ডিজিটাল সার্কিট এর On & Off দিয়ে বুলিয়ান যোগের ব্যাখ্যা করেছিলেন।

কিন্তু দর্শনের গল্প খুঁজতে থাকা আমি আরো কিছু জানতে উৎসুক ছিলাম। নিউটনের মাথায় আপেল পড়ার মতই জানতে চেয়েছিলাম – জর্জ বুল ঠিক কোন উপলব্ধি থেকে শুধু শুন্য আর এক দিয়ে গণিতের জগতে নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করার ব্রত নিয়েছিলেন। জানতে পারলাম – এত দিন সংখ্যা দিয়ে আমরা শুধু কোন কিছুর কম/বেশী পরিমান পরিমাপ করতাম। কিন্তু বুল সংখ্যাতত্ব দিয়ে কোন কিছুর পরিমান নয় বরঞ্চ কিছু নির্দিষ্ট বিষয়ের চরিত্র/অবস্থা কে ব্যাখ্যা করেছেন।

এবার বুলিয়ান এলজেব্রাকে কম্পিউটার লজিকের বাহিরেও প্রয়োগ করতে চাইলাম। ভাবলাম –

শুন্য যদি ”রাত” হয় তবে এক হচ্ছে ”দিন”।
শুন্য যদি “মৃত্যু” হয় তবে এক হচ্ছে “জীবন”।
শুন্য যদি “ভালবাসি না” করা হয় তবে এক হচ্ছে “ভালবাসি”।

অর্থাৎ জর্জ বুলের গণিত অনুযায়ী – একজন মানুষ হয় ‘বেঁচে আছে’ এই কথাটা সত্য, আর নতুবা মানুষটা ‘মরে গেছে’ এই কথাটা সত্য। সরকারী জন্ম-মৃত্যু রেজিষ্ট্রিতে একজন মানুষ একই সাথে জীবিত এবং মৃত হতে পারে না।

ঠিক তেমন ভাবে, কেউ একজন আমাকে হয় ভালবাসে আর নতুবা ভালবাসে না এর যে কোন একটা কথা সত্য। প্রেম-ভালবাসায় বুলিয়ান গণিতের প্রয়োগ দেখে আমি পুলকিত হলাম। ভাবতে লাগলাম, যদি –

আমি কোন মেয়েকে ভালবাসি ,
আর সে মেয়েটাও যদি আমাকে ভালবাসে,

তাহলে জর্জ বুলের তত্ব অনুযায়ী ১+১ = ১ হওয়ার কথা। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা তো দু’জন মানুষ? তাহলে দু’য়ে মিলে এক হই কিভাবে?

তখন মনে পড়ল বিয়ের মন্ত্রের কথা –

"যদেতৎ হৃদয়ং তব, 
তদস্তু হৃদয়ং মম। 
যদিদং হৃদয়ং মম, 
তদস্তু হৃদয়ং তব"

অর্থাৎঃ তোমার হৃদয় আমার হোক। আমার হৃদয় হোক তোমারি।

[ ৪: ফাজি লজিকের ফাঁপড়]

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে বন্ধুদের ভালবাসার গল্প শুনতাম।এক তরফা ভালবাসার গল্প, যেখানে একজন ভালবাসে অথচ অপরজনের ভালবাসা শুন্যের কোঠায়। দুতরফা ভালবাসার গল্প, যেখানে দু’জনই দু’জনকে ভালবাসে। জর্জ বুলের একে একে এক মিলে যাচ্ছে। ভালবাসে অথবা ভালবাসে না এমনসব পরিস্থিতি।

কিন্তু মহা ফাঁপড়ে পড়লাম তখনই যখন ভালবাসার গল্পে অভিমান আসতে শুরু করলো।

অভিমান এক আজিব কিসিমের জিনিস। এর বাহিরে থাকে কর্কশ রুক্ষতা অথচ ভেতরে থাকে পূর্ণ ভালবাসা।

খটকা লাগলো। কারন , এবার আর জর্জ বুলের এলজেব্রা কাজ করছে না। বুলিয়ান গণিতে ‘ভালবাসি’ অথবা ‘ভালবাসি না’ কেবল এই দুই পরিস্থিতিই সত্য। ‘ভালবাসি অথচ অভিমান করে মাঝ দরিয়ায় আছি’, এমন পরিস্থিতির কোন ব্যাখ্যা সেখানে নাই।

কি ব্যাপার? গণিতবিদরা কি তাহলে এমন পরিস্থিতির ব্যাপারে কিছুই বলে যান নি?

নাহ্‌, এমন তো হওয়ার কথা নয়। উত্তর খুঁজতে থাকলাম। জানতে পারলাম এম আই টি’র মেধাবী প্রফেসর লতফি যাদে’র ফাজি লজিকের তত্ব।

যদি প্রশ্ন করা হয় ‘এখন কি রাত?’ তবে বুলের বাইনারী ব্যবস্থায় উত্তর হবে – ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’; অন্যদিকে, ফাজি লজিকে হ্যাঁ অথবা না ছাড়াও আরো উত্তর হতে পারে – মধ্যরাত, শেষরাত, সুবহে সাদিক ইত্যাদি।

ভালবাসার গল্পে এর মানে হচ্ছে – ‘তুই আর আমাকে ফোন দিবি না’ বলে যদি আপনার বয়ফ্রেন্ড আপনাকে ব্লক করে রাখে তবে সেদিনই আপনি ‘সব শেষ’ মনে করে মন খারাপ করে আরেকটা বয়ফ্রেন্ড খুঁজতে যাবেন না। আপনি বরং ধৈর্য্য ধরুন। সে কেন অভিমান করেছে কারন খুঁজে বের করুন। এরপর উদ্ধারকারী জাহাজ সহ নিজে গিয়ে মাঝ দরিয়া থেকে তাকে টেনে-হিঁচড়ে তুলে নিয়ে আসুন। তারপর ভেঙ্গে যাওয়া বাইনারী লজিক আবার মিলিয়ে নিন –

১ + ১ = ১

আর প্রস্তুত হন সেট তত্বের সমীকরণ এবং ঐ অর্থণীতিবিদ হিসাব রক্ষকের জন্য যিনি পাল্টা জিজ্ঞসা করেছিলেন – ‘স্যার, আপনি কত চান’।

(ভালবাসায় সেট তত্বের গল্প আরেকদিন করব)

Have a happy relationship

“The surprising finding is that our relationships and how happy we are in our relationships have a powerful influence on our health”.

Yes, you are reading it right. This is the lesson Harvard researchers have learned from the longest study on happiness1. The study, conducted over 75 years, has found that our financial success is not the greatest indicator of our happiness and our general quality of life. It is the quality of our relationship that defines and determines our happiness and most importantly our health.

The study started with two important questions:
1. What keeps us healthy and happy as we go through life?
2. If you were going to invest now in your future best self, where would you put your time and energy?

The funny thing about this fast-moving era is we are obsessed with money, and fame. We are taught to work harder and harder to achieve more in order to have a good life.

Unfortunately, having a good life is not determined by money or fame. It is determined by something else.

The study spent 75 years observing 724 men. Of those 724 men, 60 are still alive and giving data to this research. Researchers sent them questionnaires, interviewed them in their living rooms, scanned their brain, analyzed their medical records, talked to their children, and even talked to their wives.

So, what is the lesson they learned from this research?

The lesson is:

“good relationship keeps us happier and healthier”.

Professor Robert Waldinger, the fourth director of the study and psychiatrist at Massachusetts General Hospital says – “Taking care of your body is important, but tending to your relationships is a form of self-care too”.

A good relationship much more important than money, or fame. It is something that will help you live happy throughout your life. The strength and the quality of your relationship will help you to slow down your physical and mental declines. Your bonding will save you from life’s discontents.

The study found people who were most satisfied in their relationships at age 50 were the healthiest at age 80. Earlier, there was a common belief, good genes are an important determinant for good health. Now, interestingly the study claims, ‘good genes are nice, but joy is better’. 

So, the bottom-line of this blog is – ‘have a happy relationship’.

In my next blog, I will uncover three interesting facts about the relationship.

 


Note: 

  1. Mineo, Liz. (2017, April 11). Good genes are nice, but joy is better. The Harvard Gazette. The Harvard Gazette. Retrieved from https://news.harvard.edu/gazette/story/2017/04/over-nearly-80-years-harvard-study-has-been-showing-how-to-live-a-healthy-and-happy-life/ 

Vision for Happiness

Albert Einstein famously remarked in a conversation with Werner Heisenberg. He said, “you know in the west we have got a beautiful ship and in it has all the comforts but actually the one thing that it doesn’t have is – a compass, and that’s why it doesn’t know where it is going”.

Dear reader, I’m Sajal. Today I am writing this blog to share my stories with you. 

Currently, I am studying Master’s in Public Health (MPH) at Queensland University of Technology (QUT). Before that, I completed MBA and BBA from Jagannath University, Bangladesh.

Back to 2010, one day I was reading a blog of twenty interesting questions. The first question was – “In one word what you live for?”.

I said – happiness! 

The second question asked – “what will you never give up on?”. 

I said – passion.

That time I have just completed my bachelor’s degree. I was a fresh graduate who was really curious to do something great; but the funny thing is, I didn’t know what to do. The only thing I had is passion. I had the passion to do something really great.

I believe, life is a journey of doing insanely great things. Interestingly, I had almost no idea what this great thing means. I knew one thing; “my work is going to fill a large part of my life*”.

You know, once Steve Jobs said – “the only way to be truly satisfied is to do what you believe is great work. And the only way to do great work is to love what you do. If you haven’t found it yet, keep looking. Don’t settle*”.

So, I didn’t settle.

I kept searching for opportunities and one day my beloved teacher Mr. Imranul Hoque gave me one. We started working on diabetes management.

I came to know, globally diabetes is increasing at 48% per year (click here to read more about diabetes prevalence). In some countries, it is 156% even! And the most interesting thing is, around 55% people having Type 2 diabetes, don’t know even they have diabetes. So, there is something seriously wrong which require attention. We have identified some important gaps which unfortunately can’t be filled up by the doctors. These gaps can be filled up by people who have a combined knowledge of business studies and public health studies.

That was the turning point of my life. 

I decided to work on it. 

It was a tough decision because, after the graduation, my friends started joining prestigious jobs where they will have certain future. They will have a handsome salary, secured career path, recognition and what not. But I was working on something where almost everything was uncertain.

Thus, there was a conflict, eventually.

You know, “the longest distance in the world is the distance between your heart and your brain ” (rational mind). My rational mind was telling me to go for something more secure for the career, whereas my heart was telling me, I’m in love with it. 

Finally, I decided to follow my heart and my intuition. Because I knew, I “don’t just wake up and become a butterfly. Growth is a process**“.

In this process, a lot of people extended their helping hands for me. I want to express my gratitude to Dr. S. M. Jaglul A. Mozumdar very specially. I met him in 2011. Since 2011 to till date, he has been helping me. He did a lot for me. Actually, I need a whole new blog post to describe his kindness. For now, I can tell one thing about him; whenever I am with Dr. Jaglul, I feel three things; honour, care, and love.

I also want to express my gratitude to Dr. Ed L. Hansen. In my university, I learned theories. Dr. Ed taught us, how to apply those theories in real-life problem-solving. He also taught me, how to achieve happiness in life. In another blog, I will write about him.

I also want to express my gratitude to another beloved teacher Mr. Zahir Uddin Arif. He is a renowned researcher in his field. He did so many amazing works. In my journey over the last 5 years, he guided me with his wisdom. You know, once Martin Luthar King said, “we have guided missiles, but misguided men”. There was a time when I was confused. I didn’t know what I should do, what I should not do. I had no idea, which pathway I should follow. That time he guided me with his kindness and wisdom.

I want to express my thanks to a wonderful lady, Zarin Tasnim (Shormi). In 2014, her valuable guideline helped me to achieve the first scholarship in my life. She is really a nice woman with a helping heart. I was unknown to her. Interestingly she helped me. It was totally unexpected, but it happened. She is an angel in human shape.

Anyway, initially, I was confused. Later I figured out where I want to go, what I want to achieve.  

I want to achieve happiness by saving people from the disease, diabetes. This is my vision.

Australia Award Scholarship committee liked my visionary plan. They granted me the opportunity and eventually on this January 2018 I came to Australia with a big vision. 


When I came to Australia I was impressed with a lot of things. 

The first impressions are ‘system’, ‘beauty’ and ‘diversity’. Australia has a well-defined system, everywhere. For every aspect, it has a system. This is the very thing I need to learn from Australia. The second impression is ‘beauty’. Australia is a naturally beautiful country. And the third impression is ‘diversity’. Australia welcomes diversity. It has a pleasing combination of diverse culture which is admirable.

From January to till today, this country has been blessing me with a lot of positive experiences. On the very first time, I was welcomed by our ISS team. I want to express my gratitude to Zia Song, and Relexya Paterson. They equipped us with a lot of important tools so that we can navigate through this new country properly. I have found them cordial which I like most. Anytime I have asked for any help, they extended their helping hands quickly.

Australian people are really helping minded. This is my observation.  

Let me tell you one story. It was an evening in the mid-March. I have just finished my shopping and was going home. I had three fully loaded bags in my two hands. I was walking through my QUT Kelvin Grove campus with the three bags in hand. And suddenly it started raining. I took shelter under a roof and waiting for the rain to stop. That time I had no umbrella with me. So, I was just stuck. The interesting thing is, suddenly a girl from nowhere came to me with her umbrella and asked, are you going somewhere? I said yes. Then she replied, may I help you? I agreed, and we started moving. The girl extended her umbrella to me and we were walking in the rain to reach my destination. After a while I noticed, I’m protected from the rain, but the girl is drenched by the rain very badly. And still, she was helping me. I have never seen that girl before. I have never seen her after that evening. She is not my classmate even. She was totally unknown to me. But no, she was not a ghost. She was an angel. And Australia has so many angels like her. I have found them several times.

In some other blogs, I will tell those stories.


In Australia, you will find a lot of glowing dots around you. Meet them, spend time with them. Because you are the average of the five people you spend the most time with.  

You will find a lot of people with their welcoming heart and sweet smile. They are really cordial. 

A wise physician once said – the best medicine for the human is love. Someone asked, what if it doesn’t work? He smiled and answered – increase the dose.

So, I will say – give love, receive love, let the love flow.  

Please don’t define the love narrowly, you will be happy here. 


Anyway, by the end of 2019, I will be leaving this country.  I will go back home to work on my vision. 

You know,

‘Vision without action is a daydream. Action without vision is a nightmare’. – Japanese Proverb 

I have a clear vision. 

Now I need to develop an action plan. 

I will work on two phases – improving existing treatment system and developing a prevention system. 

Currently, I am studying Master of Public Health at QUT. Here I am learning disease prevention and disease management strategies. I’m attending class, doing assignments … 

Oh, I’m going to tell you one story about the assignment. 

Once a primary school teacher set an assignment to a group of students. She asked them what they want to be when they grow up. Some wrote down Astronaut, others wrote down Actor, some wrote down Singer, and others wrote down scientist.

Later, she was marking through these papers she noticed that one of the boys wrote down the word – Happy. 

She went up to him and said – John, I think you misunderstood the assignment. But the boy replied – Miss, I think you misunderstood life. 

Yes, I live for happiness. I have a dream to bring happiness.

I want to express my gratitude to Australian Government for helping us to bring happiness to my beloved country. I cordially express my gratitude to Australia Award Scholarship for its generous contribution. 

Together we will make something insanely great. 

Together we will save people from diabetes and make them happy.

 

 


Foot note:
* Steve Jobs, ** Rupi Kaur

Math & Marriage Quiz | Solve if you can

ছবিটি বোনের বিয়েতে তোলা। পুরোনো ছবি ঘাঁটতে-ঘাঁটতে হঠাৎ পেয়ে গেলাম। তাই শেয়ার করার লোভ সংবরণ করতে পারলাম না। নিতান্তই সাধারণ ছবি। কিন্তু আজ অসাধারণ কিছু আইডিয়া নিয়ে কাজ করব। পুরো ছবিটাতে গণিত, দর্শন, সংসার তত্ব, এবং যোগাযোগ তত্বকে একত্রে মিশিয়ে এমন কিছু করব, যা আপনি আগে হয়ত এমন ভাবে ভাবেনই নি।

(more…)

সংসার

দিন শেষে ঘরে ফিরে স্ত্রীর ব্রা খুলতে ব্যস্ত থাকা স্বামী ভুলে যায়, স্তন থেকে দু ইঞ্চি গভীরে একটা হৃদপিন্ড আছে!
লবনাক্ত একটা শরীর স্পর্শ করার আগে কোনদিন হয়তো জিজ্ঞেস ও করা হয়না “তুমি ভালো আছো তো”?
রাস্তার মোড় থেকে কনডম কিনে ঘরে ফেরা স্বামীর মনে থাকে না, একটা ছোট্ট কাজলের কৌটা নিয়ে আজ ঘরে ফিরলে কেমন হয়!
.
সংসার একটা উপভোগ করার জায়গা! অথচ, আমরা অনেকসময় শুধু ভোগ করাটাকেই সংসার ভাবতে থাকি!
ভোগ আর উপভোগের মাঝখানের পার্থক্যটা বুঝতে কষ্ট হয় বলেই আমাদের দাম্পত্য জীবনে একঘেয়ামী চলে আসে!
সংসার মানে আসলে নিয়ম করে ব্লাউজের বোতাম খোলা না, এসব খোলামেলা নিয়মের বাইরেও অনেক কিছু থাকে!
.
সংসার একটা দায়িত্ববোধের ব্যপার! শারিরিক আকর্ষনের উন্মাদনা শেষে উল্টা পাশ হয়ে ঘুমিয়ে যাওয়া দম্পতি টের পায়না, ভালোবাসায় কখনো অনিহা আসে না! বীর্য স্ফলনের পর যদি মানুষটাকে অসহ্য লাগা শুরু হয়, তাহলে আপনি কামুক, এখনো প্রেমিক হয়ে উঠতে পারেননি!
.
প্রেমিক হলে, মাথায় হাত বুলাতে বুলাতে বিপরীত মানুষটার নিদ্রা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়!
একটা বয়সে আমরা প্রেমের পাশাপাশি শরীরটাকেও ভীষন ভাবে প্রত্যাশা করি!
আবার একটা সময় শরীরের পাশাপাশি আমাদের প্রেমটাও ভীষন প্রয়োজন হয়!
নগ্ন দেহের প্রতি কোন মুগ্ধতা নেই!
.
মুগ্ধতা পাওয়া যায় প্রেমিকার চুলে, গালের টোলে, কপালের টিপে, চোখের কাজলে!
প্রেম মানে “তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে ২৫৬ বার মরে যাওয়া যায়”!
প্রেম মানে “তুমি ঘুমাও, আমি একটা আস্ত রাত জেগে থেকে তোমাকে দেখি”!
ভালোবাসার জন্য আপনি শরীরকে অস্বীকার করতে পারবেন না, তাহলে শরীরের জন্য কিভাবে ভালোবাসাকে অস্বীকার করেন!
.
ভালোবাসায় শরীর আসবেই, তবে শরীরেও যাতে ভালোবাসা আসে!
শুধু স্তন নয়, স্তন থেকে দু ইঞ্চি গভিরে থাকা হৃদপিন্ড যে দেখতে পায়না, সে আর যাই হোক ভালোবাসতে শিখেনি!
আমরা যোনীর গভীরতা আবিস্কার করতে শিখেছি, অথচ হৃদপিন্ডের গভীরতা অনুসন্ধান করতে শিখিনি!
একটা রাত কাপড় খুলে শুয়ে না থেকে, মানুষটার হাত ধরে বসে থেকে দেখুন!
দু চারটা সুখ-দুঃখের কথা শুনুন! বিপরীত মানুষটাকে একটু সময় দিন!
মানুষটার বুকের ভেতর আপনার জন্য একটু মুগ্ধতা আসুক!
.
মুগ্ধতাহীনতায় আক্রান্ত হৃদপিন্ড একসময় আপনার লং টাইম ডিউরেশনাল যৌনতার প্রতিও আর আগ্রহবোধ করবে না!
যার প্রতি প্রেম থাকে না, তার জন্য কাম ও জাগে না!


কৃতজ্ঞতাঃ
আসাদুজ্জামান জীবন এর ফেসবুক ওয়াল থেকে

Archives