জার্মানীর ফুরারের কথা মনে আছে আপনাদের?

কৈশোরে এই লোকের শখ হয়েছিল শিল্পী হবার।

হাইসেন না। আজব হইলেও এই কথাই সত্য।

বেশ কিছু ছবিও এঁকেছিল বেচা-বিক্রির জন্য।

চলেনাই।

 

শেখর সেন গুপ্তের ‘হিটলার’ পড়ছিলাম। লেখক মন্তব্য করেছেন –

 

যেই লোকের মনস্তত্বে রক্তে স্নান করার বীজ রয়েছে, সে শিল্পী হবে কেমন করে?

 

তার পরের ঘটনা ইতিহাস, সে তো আপনারা জানেন।

বইটা পড়েছিলাম বছর ছয় এক আগে। হঠাৎ করে সেই কথা মনে পড়ে গেল তার একটা কারন আছে। বাংলাদেশেও এইরকম দুই-একটা চুতিয়া শিল্পি দেখা গেছে। এরা ছিঃল্প, ছিঃনেমা রচনা করছে। জনসম্মুখে এরা খুব মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে। অথচ একটু তলে ঘাঁটলে বের হয়ে যায় –

‘কপট প্রেম লুকোচুরি,
মুখে মধু হৃদে ছুরি’।

এরা অন্যের শ্রেষ্ঠ কর্ম গুলোকে নুনুভূতির অস্ত্র দিয়ে মানুষকে ক্ষেপিয়ে তুলে নিজেদের বস্তা পচা মাল খাওয়ানোর চেষ্টা করবে। শ্রেষ্ঠ কর্ম গুলোকে নিজের দেশে নিষিদ্ধ করবে। অথচ – তাদের সাথেই আবার যৌথ প্রযোজনায় কাজ করার জন্য নির্লজ্জের মত হাতের তালু  ঘষবে। লির্লজ্জের মত ঐ দেশে অতিথির আসনে বসবে।

এরা মানবতাবাদী। তাদের মানবতা সংক্রান্ত স্ট্যাটাস পয়দা হয় – শুধুমাত্র নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর জন্য। আর বাকী সময় তাদের মানবতা কাঁথা মুড়ি দিয়া ঘুমায়।