গত দুই পর্বে আলোচনা করেছিলাম সিদ্ধান্তহীনতা নিয়ে। জেনেছিলাম সিদ্ধান্তহীনতা কিভাবে আমাদের মনস্তত্বকে প্রভাবিত করে, এবং কোন ধরনের জটিলতা সমূহ একটা সিদ্ধান্ত প্রণয়নকে কঠিন করে তোলে।

আজ আলোচনা করব – সকল প্রকার জটিলতাকে বিবেচনায় নিয়ে কেমন করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এই পর্যায়ে একটা কথা বলে রাখা ভাল – আমি আপনাকে বলে দিব না যে ঠিক কোন সিদ্ধান্তটা নিতে হবে বা কোন সিদ্ধান্তটা সঠিক হবে। কিন্তু, আমি যা বলতে পারব তা হল – কিভাবে মোটামুটি যেকোন পরিস্থিতিতে একটি যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে হয়। এটাকে আমি বলতে চাই সিদ্ধান্তের শল্য বিদ্যা। কারন এই পদ্ধতিতে আমি সিদ্ধান্তগ্রহণের প্রক্রিয়াকে ব্যবচ্ছেদ করে দেখাব যে – (সাধারণত) কোন যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্তের কাঠামো কিভাবে গঠিত। চলুন তাহলে, শুরু করা যাক।

হাতের পাঁচটি আঙুলের মত কোন যুক্তিযুক্ত সিদ্ধান্তের অন্তত পাঁচটি উপাদান থাকে। এগুলো হল – 

  1. সমস্যা,
  2. উদ্দেশ্য,
  3. বিকল্প,
  4. পরিণতি, এবং
  5. ভারসাম্য। 

আজ এই পর্যন্তই। আগামী পর্বে এই পাঁচটি উপাদান নিয়ে আলোচনা করব। 


পূর্ববর্তী পোষ্ট